মোমিন আলি লস্কর জয়নগর:-সমাজে পিছিয়ে পড়া দুঃস্থ অসহায় সাধারন পরিবারের ছাত্র -ছাত্রদের কথা মাথায় রেখে ২০১৫ সাল থেকে জাতীয় কম্পিউটার সেন্টারের ডিরেক্টর আমিরুল ইসলাম হালদার প্রথমে গুটিকত অসহায় দুঃস্থ পরিবারের ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে তার
কম্পিউটার জগতের কম্পিউটার শিক্ষার আলোর আলোকিত করার জন্য তিনি প্রথম চলার পথ শুরু করেন দক্ষিণ বারাসত এলাকায়।সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা বাড়তে থাকে গড়ে ওঠে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিষ্ঠান ২০১৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে গড়ে ওঠে জাতীয় কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার যাহা বর্তমানে বাবুদার কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার নামে খ্যাতি অঞ্জন করেছেন।আজ তার এই প্রসার জয়নগর এলাকায় অলিতে গলিতে বিস্তার লাভ করেছে বাবুদা কম্পিউটার সেন্টার নামে। তানার এই কম্পিউটার শিক্ষাজগতের তিনি ভারত সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক সম্মানজনক পুরস্কার পেয়েছেন। তিনি প্রতি বছর নেয় এবছর পিছিয়ে পড়া অসহায় দুঃস্থ পরিবারের ছাত্র ছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে ২০২৬সালে শিক্ষাবর্ষে ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ আলো উজ্জ্বল করতে তিনি বিশেষ আকর্ষণীয় উপহার নিয়ে এসেছে। তিনি ঘোষনা করেছেন আমাদের জাতীয় কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারে এবছর কোনরকম কোর্স ফ্রি ছাড়াই বেসিক কম্পিউটার এবং এ. আই চ্যাট জিপিটি কোর্স শেখানো হবে। কোর্সের সাথে সাথেই বাবুদার জাতীয় কম্পিউটার শিক্ষা পর্ষদের পক্ষ থেকে থাকছে লাকী কুপন এবং এই লাকী কুপনের মধ্যেই থাকছে বিশেষ আকর্ষণীয় উপহার ও ভারত সরকার স্বীকৃতি সার্টিফিকেট যা ছাত্র ছাত্রীদের ভবিষ্যতে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে কাজ করতে পারবে,সর্বত্র জায়গায় গ্ৰহন যোগ্য সার্টিফিকেট দেওয়া হবে জাতীয় কম্পিউটার শিক্ষার পর্ষদের পক্ষ থেকে।বাবুদা কম্পিউটার সেন্টার মানে ভারত সেবা সম্মান প্রাপ্ত কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার, যার নাম জাতীয় কম্পিউটার শিক্ষা পর্ষদ। শুধু চারিদিকে একটি নাম বাবুদার কম্পিউটার সেন্টার ট্রেনিং। এই নির্ভরযোগ্য কম্পিউটার সেন্টার থেকে কম্পিউটার শিখে বহু ছাত্র-ছাত্রী তাদের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল গড়ে তুলেছে। এছাড়াও এখানে বহু রকমের ক্যারিয়ার মুখী কোর্স করানো হয় যেমন বেসিক ডিপ্লোমা Advance ডিপ্লোমা, ADIT, ADIT+, ADP, ডিটিপি, Tally GST, অনলাইন ফরম ফিলাপ কোর্স শেখানো হয়।