আমার সকল টাকা পয়সা ডিপোজিট সহ সব কিছু প্রদীপ সোম নেয়ার পরে আমাকে প্রাই নির্যাতন করে। দিপিকা ঘোষ। আরো বলেন আজ সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমাকে বেধর মারপিট করে এতে আমার চোখে নিচে সমস্যা হয় এবং ঠোঁট ফেটে গিয়ে রক্তাক্ত হই। আমি খুলনা সদর হাসপাতালে ভর্তি হই।সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আমি খুলনা সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। অভিযোগের পড়ে প্রদীপ সোম খুলনা সদর থানা এসে লিপিকা কে এড নর্মাল বোলে আক্ষাইত করে। লিপিকা কে পাগল সাজানোর চেস্টা করে প্রদীপ সোম।
খুলনা হ্যানে রেলওয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন,মোঃ হাবিবুল্লাহ বলেন লিপিকা ২০১২ সাল থেকে আমাদের এই বিদ্যালয় কর্মরত আছেন, তিনি খুব পরিশ্রমি বিদ্যালয় শ্রেণি শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। ঐ বিদ্যালয়ের আরেকজন শিক্ষিকা জানান দীপিকার সব সময় আমাদের সাথে মিলেমিশে কাজ করে। তিনি অত্যন্ত একজন ভালো মনের মানুষ, তবে আমি শুনেছি তার সংসারে বেশ কিছুদিন যাবত অশান্তি সৃষ্টি হচ্ছে।
তার স্বামী নাকি পরকীয়ায় জড়িত। হ্যানে রেলওয়ে মাধ্যমে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সঞ্জীব বলেন, লিপিকা ঘোষ আমাদের সাথে দীর্ঘদিন যাবত এই বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করছে আপার মানসিকতা অনেক সুন্দর, আমি কখনো দেখিনি উনাকে এডনরমাল বা পাগলের মত। তবে আজ খুলনা সদর থানার সামনে উনার স্বামী প্রদীপ সোম, আমাদেরকে এসে ধমক দিয়ে বলে উনি এড নরমাল পাগল উনার সাথে আপনারা এখানে কেন এসেছেন। হ্যানে রেলওয়ে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষকগণ এই বর্বরতার নির্যাতনের বিচারও দাবি করেন।