আফরোজা খাতুন সীমা,রাজবাড়ী প্রতিনিধি: গোয়ালন্দে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাবেয়া ইদ্রিস মহিলা কলেজের মাঠ প্রাঙ্গণ থেকে লাল তিলে বিষাক্ত রং মিশিয়ে কালো করে বিক্রির উদ্দেশ্যে, রোদে শুকানো কালে প্রায় ৫ মণ বিষাক্ত তিল’সহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে গোয়ালন্দ ঘাট থানা পুলিশ। আটককৃত ব্যক্তির নাম রফিকুল ইসলাম (৩৮), সে আবদুল সাত্তার ফকিরের ছেলে। ধারনা করা হচ্ছে আটককৃত তিলের বাজার মুল্য প্রায় ১৮ হাজার টাকা। পরে গোয়ালন্দ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ এর ৫৩ ধারায় অভিযুক্ত ব্যক্তি রফিকুল ইসলাম’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেন।
আজ শুক্রবার (৭ই নভেম্বর-২৫) সকালে উপজেলার নছর উদ্দিন সরদার পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
আটককৃত ব্যক্তি রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তিনি প্রায় সাড়ে ৩ থেকে ৪ মাস যাবত অবৈধ পন্থায় মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর লাল তিলে বিষাক্ত রং কালো মিশিয়ে করে বিক্রি করে আসছেন। প্রতি মণ তিল তিনি খুচরা বাজারে ৩৬০০ দরে বিক্রি করেন। তবে অভিযুক্তের দাবী, তিনি এটা মানুষের খাবার নয় বরং পাখি খাদ্য হিসেবে বিক্রি করেন না।
আর গোয়ালন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, লাল তিলে বিষাক্ত কালো রং মিশিয়ে রোদে শুকানোর বিষয়টা সকালে জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ঘটনা স্থলে পুলিশ পাঠিয়ে তিল’সহ এক ব্যক্তিকে আটক করি। পরবর্তীতে ইউএনও’কে বিষয়টা অবগত করলে তিনি গিয়ে মোবাইল কোর্টের অভিযুক্ত’কে ২০ হাজার জরিমান করে, জব্দকৃত তিল ধ্বংস করেন।
আর গোয়ালন্দ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাশ বলেন, প্রাথমিক ভাবে বিষাক্ত তিল জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে। পরে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযুক্ত’কে ব্যক্তি’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। সেইসাথে সতর্ক করা হয়েছে ভবিষ্যতে যাতে এই কাজ না করেন।