রানা ইসলাম, বদরগঞ্জ, রংপুর

রংপুরে বদরগঞ্জে রামনাথপুর ইউনিয়ন বাগিচাপাড়া গ্রামে শাখাওয়াত হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাড়ি করে চরম বিপাকে পড়েছেন।বসতবাড়ি যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি জোরপূর্বক ভাবে বন্ধ করে দিয়েছেন এলাকার হনুফা বেগম নামে এক নারী।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাখাওয়াত হোসেন থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।অভিযোগে তার ছেলে রুবেল হোসেন নাম রয়েছে।

থানায় লিখিত অভিযোগ উল্লেখ রয়েছে, সাখাওয়াত হোসেন তার পৈতৃক পাওয়া জায়গায় বসতবাড়ি নির্মান করেন।বাড়ির সামনে তাদের একটি পুকুর রয়েছে। পুকুরের পাশদিয়ে একটি সরু রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতেন পরিবারটি। হঠাৎ জীবিকার তাগিদে সাখাওয়াত ও তার পরিবারের লোকজন ঢাকায় যান।এ সুযোগে ঐ সরু রাস্তার পাশে ছকিমুদ্দীন বাড়ি হওয়ায় তার স্ত্রী প্রতিহিংসা পরায়ণ রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। ছকিমুদ্দীন নাতী সাখাওয়াত ঢাকা থেকে এসে তার বসতবাড়ি যাতায়াতের রাস্তা বন্ধের দৃশ্য দেখতে পায়।পরে তার দাদী হনুফা বেগম বললে তিনি জোরপূর্বক গলায় বলেন,আমার স্বামীর জায়গার রাস্তা আমি বন্ধ করেছি তোদের কি।একথা বলে হুমকি দেন। এসময় তার ছেলে রুবেল ও হুমকি দেন।

এবিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন সাংবাদিক কে বলেন,বাড়ি নির্মান করার আগে আমার দাদা ছকিমুদ্দীন বলেছিল তোমরা এ পাশ দিয়ে যাতায়াত করবে।এখান বাড়ি তৈরি করার পর আমার দাদি হনুফা বেগম ও তার ছেলে রুবেল জোরপূর্বক ভাবে রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছেন।
এখন আমাদের যাতায়াতের পথ নেই। খুব কষ্ট করে পরিবারের লোকজন পুকুরে পাড় দিয়ে যাওয়া আসা করি।আমি প্রশাসন কাছে এর বিচার দাবি জানাই।

এবিষয়ে হনুফা বেগম কাছে জানতে চাইলে, তিনি উল্টো পাল্টা প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি সঠিক উত্তর দেন না।

স্হানীয় খাদেমুল নামে এক ব্যাক্তি বলেন,এ কথা সত্যি বাড়ি করার আগে ছকিমুদ্দীন বলেছিল এ পাশ দিয়ে যাতায়াত করতে।কিন্তু এখন সমস্যা করছেন তার স্ত্রী হনুফা বেগম ও তার ছেলে রুবেল। এরা দুজন ভেজাল মানুষ।

বদরগঞ্জ থানার সহকারী উপপরিদর্শক শংকর দাশ বলেন,ভুক্তভোগী সাখাওয়াত হোসেন অভিযোগ বিষয় টি সত্যি। আমি সরজমিনে যেয়ে বিবাদীগনকে যাতায়াতের রাস্তা খুলে দিতে বলেছি।