মোঃ মাসুম সরদার,দৈনিক ইবি নিউজ: ক্রীড়া হবে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে এবং “শুধু শখ নয়, ক্রীড়া হবে আগামী প্রজন্মের প্রেরণা ও মর্যাদার পেশা” এই বার্তা ছড়িয়ে দিতে খুলনার রূপসা উপজেলার আইচগাতী ইউনিয়নে আয়োজিত দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি ১৬ দলীয় আন্তঃইউনিয়ন ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে খেলোয়াড়দের মাঝে এ্যাপ্রোন বিতরণ করা হয়েছে।

টুর্নামেন্টটি শুধু একটি ক্রীড়া আয়োজন নয়; বরং তরুণ ও ক্ষুদে খেলোয়াড়দের খেলাধুলার প্রতি আরও উৎসাহিত করা, শারীরিক ও মানসিক বিকাশ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে দক্ষ খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ আয়োজনকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আয়োজকরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড়দের হাতে এ্যাপ্রোন তুলে দেন রূপসা উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ও রূপসা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ আতাউর রহমান রনু। এ সময় তিনি ক্ষুদে খেলোয়াড়দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাদের নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে নিজেদের যোগ্য খেলোয়াড় হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, “একটি সুস্থ, মেধাবী ও দেশপ্রেমিক প্রজন্ম গড়ে তুলতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে তরুণ সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে ক্রীড়াচর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আজকের ক্ষুদে খেলোয়াড়রাই আগামী দিনের জাতীয় সম্পদ। তাই তাদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের প্রতিটি সচেতন মানুষের দায়িত্ব।”
তিনি আরও বলেন, “শুধু শখের বশে নয়, ক্রীড়াকে ভবিষ্যতের সম্মানজনক পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সরকার ও সমাজের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধি এবং ক্রীড়ানুরাগীদেরও খেলোয়াড়দের উন্নয়নে কাজ করতে হবে। আমি সবসময় খেলাধুলার উন্নয়ন ও খেলোয়াড়দের কল্যাণে পাশে থাকব।”অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন শেখ আবু সাঈদ, শফিকুল ইসলাম সফিক, ফরিদ আনোয়ার, আলতাফ মোল্লা, শেখ আজিজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম, শেখ মাসুম বিল্লাহ, মোঃ ইমাম, রেজাউল ইসলাম রেজা, মোঃ নয়ন মোড়ল, মোঃ রয়েলসহ আইচগাতী ইউনিয়নের ক্রীড়ানুরাগী ব্যক্তিবর্গ এবং টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী ক্ষুদে খেলোয়াড়রা।
এ্যাপ্রোন বিতরণ শেষে খেলোয়াড়দের সফলতা কামনা করা হয় এবং আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও খেলাধুলার প্রসার, মেধাবী খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্যে এবং যুবসমাজকে ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত রাখতে এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমীরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ ক্ষুদে খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করবে এবং খেলাধুলার প্রতি তাদের আগ্রহ আরও বাড়িয়ে তুলবে। পাশাপাশি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতেও এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।