নাহিদ জামান।
রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন বেড়েই চলেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। বাধ্য হয়েই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডেঙ্গু রোগীদের জন্য আলাদা ইউনিট করেছেন। হাসপাতালের তৃতীয় তলায় পুরুষ রোগীদের জন্য যে বেডগুলি বরাদ্দ ছিল সেই বেডগুলি সহ কেবিন মিলে ডেঙ্গু রোগীদের ইউনিট তৈরি করা হয়েছে। এই ইউনিটে রয়েছে রয়েছে ৩ টা কেবিন সহ মাত্র ১৫ টা বেড। ৮ আগস্ট রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেঙ্গু ইউনিটে গিয়ে দেখা যায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২৩ জন। বেডের সংখ্যা ১৫টি। ৫০ শয্যা হাসপাতালে সীমিত বেড থাকার কারণে বাধ্য হয়েই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডেঙ্গু রোগীদের বেড ফ্লোরে দিতে বাধ্য হচ্ছে । হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন ডাক্তার, নার্স সহ সকলে আপ্রাণ চেষ্টা করে রোগীদের সেবা প্রদান করছেন শুধুমাত্র বেডের সংখ্যা কম থাকার কারণে রোগীদের বাধ্য হয়ে ফ্লোরে বেড দিতে হচ্ছে। বেশিরভাগ রোগী নৈহাটি ইউনিয়ন ও টিএসবি ইউনিয়নের এ ব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলেন এখন বর্ষার সময় এডিস মশায় কামড়ালে ডেঙ্গু হয়। এই মশাগুলির সচ্ছ পানিতে ডিম পাড়ে এবং বংশবিস্তার করে এদের বংশবিস্তার রোধ করতে ছাদে জমে থাকা পানি, ফুলের টবে জমে থাকা পানি এবং আশেপাশে জমে থাকা পানি গুলো অপসারণ করা প্রয়োজন। এই পানি না পেলে মশা ডিম পাড়তে পারবেনা এদের বংশবিস্তার কমে যাবে ।এতে মশা কমে যাবে এবং আস্তে আস্তে রোগীর সংখ্যাও কমে যাবে। এ ব্যাপারে সকলকে সচেতন থাকতে হবে। এছাড়া সকলকে মশারি টাঙিয়ে ঘুমাতে হবে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে কোনভাবেই যেন মশা না কামড়ায়।