এদিকে গত ১৯ জুলাই উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর দেওয়া পৃথক আবেদনে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়েও অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়। লিখিত অভিযোগে বলেন, প্রকৃত জমিদাতাদের যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি এবং স্বচ্ছ ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গণতান্ত্রিক মতামত না নিয়ে প্রধান শিক্ষক নিজে প্রস্তাব ও সমর্থনের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচনের উদ্যোগ নিয়েছেন। এমনকি প্রধান শিক্ষক এককভাবে ‘পকেট কমিটি’ গঠনের চেষ্টা করছেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, গাছ কাটার অনুমোদন, গাছের প্রকৃত মূল্য, বিক্রয় অর্থের হিসাব এবং ম্যানেজিং কমিটি গঠনের প্রক্রিয়াসহ সব অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক। কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি সরকারি অর্থের ক্ষতি হয়ে থাকলে তা উদ্ধারেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।অভিযোগের বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিউলী পারভীন তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বিকার করে বলেন, বিদ্যালয়ের বাউন্ডারির মধ্যে কোন গাছ কাটা হয়নি। ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে ব্যক্তিগত আক্রোশ বলে দাবি করেন প্রধান শিক্ষিকা। অভিযোগপত্রের অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়, জেলা প্রশাসক ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।