শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি: বাংলাদেশের প্রতিটি জনপদের ইতিহাসেই এমন কিছু ব্যক্তিত্বের জন্ম হয়, যাঁরা নিজেদের মেধা, মনন, নেতৃত্ব ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন করে নেন। মাটি ও মানুষের পরম আপনজন, বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সমাজসেবক ফরিদ উদ্দিন মানিক তেমনই একজন গণমানুষের নেতা।

যাঁর প্রতিটি কর্মকান্ডে প্রতিফলিত হয় এলাকার সামগ্রিক উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের দৃঢ় প্রত্যয়। গতকাল বিকালে শরণখোলা উপজেলা সদর এলাকায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনী এক গন সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় মানিকের বিভিন্ন কর্মকান্ডের ভূয়সী প্রসংশা করেন স্থানীয় জনতা।
সাম্প্রতিক নানা সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ইতিবাচক ভিডিও ও বার্তার মাধ্যমে এটি আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে সবার আগে যিনি পাশে দাঁড়ান, তিনি হলেন এই ফরিদ উদ্দিন মানিক।
মসজিদ, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান সর্বমহলে প্রশংসিত। দলমত নির্বিশেষে সকল মানুষের বিপদে ছুটে যাওয়ার মানসিকতাই তাঁকে সাধারণ মানুষের প্রকৃত নেতায় পরিণত করেছে।

তরুণ সমাজকে মাদক ও অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে একটি সুন্দর, সুস্থ ও সংস্কৃতিমনা প্রজন্ম গড়ে তুলতে তিনি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন। খেলাধুলার প্রসার, যুব সমাজের কর্মসংস্থান এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁর নিরলস ভূমিকা তরুণদের মাঝে এক নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে।
শিক্ষা বিস্তারে তাঁর অবদান এবং গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোর এই মানবিক গুণাবলী তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। মানিক শরণখোলা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন। তার রাজনৈতিক দর্শন হলো “জনসেবাই পরম ধর্ম”। ক্ষমতার মোহ নয়, বরং সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটানোই তাঁর মূল ব্রত। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং গঠনমূলক চিন্তাধারায় সেখানকার সার্বিক অবকাঠামোগত ও সামাজিক উন্নয়নে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। স্থানীয় জনগন, সচেতন মহল, রাজনৈতিক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ মনে করেন, মানিককে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে তাকে মনোনয়ন দিলে তাঁর এই সুযোগ্য নেতৃত্ব ও জনবান্ধব নীতি আগামী দিনে শরণখোলাকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। সাধারণ মানুষের সাথে তাঁর নাড়ির টান।

কোনো আনুষ্ঠানিকতা ছাড়াই তিনি যেভাবে সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে মিশে যান, তা বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক বিরল দৃষ্টান্ত। সর্বস্তরের জনতা তাঁকে আজ শুধু একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবেই নয়, বরং নিজেদের অভিভাবক ও আস্থার প্রতীক হিসেবে শ্রদ্ধা করেন। মানিকের ওই সকল মহতী উদ্যোগে তাকে চেয়ারম্যান পেতে ইউনিয়নবাসী একাট্রা।