শিরোনাম:
হরিজন জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নে শিশু শিক্ষার ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা রংপুরে আল মকবুল তাহফিজুল কুরআন একাডেমির নিজস্ব ক্যাম্পাসের উদ্বোধন সিংড়ায় খাবার খেয়ে একসাথে অসুস্থ ৮ শ্রমিক, হাসপাতালে ঐতিহ্য ও শিক্ষার দীপ্ত প্রতীক কালীগঞ্জের বক্তারপুরের ফুলদী জনতা উচ্চ বিদ্যালয় অনন্য ইতিহাস ডাকাতি করতে গিয়ে ডাকাতের গুলিতে ডাকাত নিহত তিমির বীরগঞ্জে ৩টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কে জরিমানা. বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ ১১ বছর পর অ্যাপেন্ডিক্স এর অপারেশনে জনমনে স্বস্তি মোরেলগঞ্জে কোডেক এর সংলাপ অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জ যথাযথ কর্তপক্ষের কমিটির অজান্তে পুরাতন ভবন ও গাছ বিক্রি করলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ মোরেলগঞ্জে সিসিডিবি’র উদ্যোগে প্রশিক্ষন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪০ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে....। আগ্রহীগণ যোগাযোগ করুন:  01911179663

সিংড়ার চলনবিলে নৌকায় কাটছে আমন ধান

Reporter Name / ১১৬ Time View
Update : সোমবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২৫

তানজিল হোসেন, সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি: নাটোরের সিংড়া উপজেলার চলনবিল অঞ্চলে এখনো জমি থেকে নামেনি বন্যার পানি। হাঁটু থেকে হাটু-উপর পর্যন্ত পানিতে তলিয়ে আছে বেশির ভাগ কৃষিজমি। এর মধ্যেই বাধ্য হয়ে নৌকা ব্যবহার করে আমন ধান কাটছেন কৃষকরা। এতে শ্রমিক সংকটের পাশাপাশি ব্যয়ও বেড়েছে দ্বিগুণ। একবেলা ধান কাটার জন্য শ্রমিকদের দিতে হচ্ছে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। ফলে প্রতি বিঘায় ৫–৬ মণ ফলন হলেও খরচ বাদ দিয়ে কৃষকের হাতে থাকছে মাত্র ১–২ মণ ধান। সরেজমিনে ডাহিয়া ও ইটালী ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, শ্রমিকরা পানিতে দাঁড়িয়ে কষ্ট করে ধান কাটছেন। কাটা ধান নৌকায় বোঝাই করে খোলায় এনে মাড়াই করছেন কৃষকরা। হেমন্তের নতুন ধানে যেখানে সারা দেশে উৎসবের আমেজ, সেখানে চলনবিলের কৃষকদের মুখে শুধু হতাশা ও দুশ্চিন্তা। দ্বিতীয় ধাপের বন্যায় ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন তারা।

ইটালী ইউনিয়নের পশ্চিম মাগুড়া গ্রামের কৃষক রফিকুল ইসলাম ভুট্টু জানান, তিন ভাই মিলে ৭০ বিঘা বোনা আমন করেছি। বেশিরভাগ জমিতেই নৌকা নিয়ে ধান কাটতে হচ্ছে। পানিতে ধান কাটতে অনেকে রাজি হচ্ছেন না। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত খেটে শ্রমিকদের ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা দিতে হচ্ছে।ইন্দ্রাসন গ্রামের কৃষক সবুজ আলী জানান, বর্গা নিয়ে ৫ বিঘা জমিতে চাষ করেছি। বিঘায় ৫–৬ মণ ফলন হয়েছে। কিন্তু খরচ বাদ দিলে ১–২ মণ ধান ওঠানোই দুষ্কর। বর্গার ধান কীভাবে দেবো—এ চিন্তায় আছি।

ডাহিয়া ইউনিয়নের কাউয়াটিকরী গ্রামের কৃষক ফরিদ প্রামাণিক বলেন, প্রতি বছর আমন কাটার পর সরিষা চাষ করি। গত বছর ২০ বিঘা করেছি। কিন্তু এ বছর জমিতে পানি। কবে নামবে জানি না। সরিষার চাষ করতে পারব কি না ভাবনায় আছি।উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ খন্দকার ফরিদ বলেন, চলতি মৌসুমে ৫ হাজার ৫শ হেক্টর জমিতে বোনা আমন এবং ২৩ হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়েছে। দ্বিতীয় দফার বন্যায় কিছু এলাকায় বোনা আমনের ক্ষতি হয়েছে। আমরা প্রণোদনা ও পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের সহায়তা করছি। চলনবিলের পানি দ্রুত নামছে। সরিষা ও বোরো চাষের মাধ্যমে কৃষকেরা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন বলে আমরা আশা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category