উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি:
নড়াইলে ট্রলির ধাক্কায় শিশু নিহত ও গৃহবধূরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ।
নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় ট্রলির ধাক্কায় লিমন নামে তিন বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে।উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে জানান, রোববার (৮ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চাঁচুড়ি ইউনিয়নের কালডাঙ্গা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।লিমন ওই গ্রামের কৃষক ইকরামুল ফকিরের ছেলে। দুই ছেলের মধ্যে নিহত লিমন ইকরামুলের ছোট সন্তান।
নিহতের স্বজনরা জানান, রোববার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চাঁচুড়ি ইউনিয়নের কালডাঙ্গা গ্রামের সড়ক দিয়ে একটি ট্রলি যাচ্ছিল। এসময় রাস্তায় থাকা শিশু লিমনকে ধাক্কা দেয় ট্রলিটি। এসময় লিমনের মাথা, নাক, পাসহ শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাত লেগে সে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহেল আলম জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল থেকে। অপরদিকে
নড়াইলের লোহাগড়াগৃহবধূরকে স্বামীর বিরুদ্ধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগউজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল:
নড়াইলের লোহাগড়ায় গৃহবধূরকে স্বামীর বিরুদ্ধে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ।নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় সুমাইয়া বেগম (১৮) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ইয়ামিন শেখের বিরুদ্ধে। তবে ওই গৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল জানান, শনিবার (৭ মার্চ) দিবাগত রাতে উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের শুলটিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, লোহাগড়া উপজেলার নোয়াগ্রাম ইউনিয়নের শুলটিয়া গ্রামের ফসিয়ার শেখের ছেলে ইয়ামিন শেখের সঙ্গে একই উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের চাচই ধানাইড় গ্রামের মো. ফরিদ ভূইয়ার মেয়ে সুমাইয়ার বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই মাসের এক ছেলে সন্তান রয়েছে।নিহত সুমাইয়া বাবা ফরিদ ভূইয়ার অভিযোগ বলেন, শনিবার (৭ মার্চ) রাতে আমার মেয়ে সুমাইয়াকে তার স্বামী ও স্বামীর পরিবার পিটিয়ে হত্যা করে। তারা আমাদেরকে কোনো খবর দেয়নি। অন্য মানুষের কাছ থেকে আমরা খবর পেয়ে সেখানে গেলে তারা বলে, তোমার মেয়ের শ্বাসকষ্ট উঠছিল। তখন আমরা ওষুধ খাওয়াতে গেলে তার গলায় আটকে সে মারা যায়। সুমাইয়ার শ্বাসকষ্ট ছিল না। আমার মেয়েকে ওরা মেরে ফেলেছে। তার পা এবং গলায় দাগ রয়েছে। ওকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। আমি এর সঠিক বিচার চাই।
এ ব্যাপারে নিহতের স্বামী অভিযুক্ত ইয়ামিন হত্যার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমার স্ত্রীর শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। শনিবার রাতে তার হঠাৎ শ্বাসকষ্ট হলে প্রাথমিকভাবে তাকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরে ডাক্তারের কাছে নেওয়ার সময় পথে সে মারা যায়।এ বিষয়ে লোহাগড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রহমান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উজ্জ্বল রায়, জেলা প্রতিনিধি নড়াইল।