শিরোনাম:
হরিজন জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নে শিশু শিক্ষার ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা রংপুরে আল মকবুল তাহফিজুল কুরআন একাডেমির নিজস্ব ক্যাম্পাসের উদ্বোধন সিংড়ায় খাবার খেয়ে একসাথে অসুস্থ ৮ শ্রমিক, হাসপাতালে ঐতিহ্য ও শিক্ষার দীপ্ত প্রতীক কালীগঞ্জের বক্তারপুরের ফুলদী জনতা উচ্চ বিদ্যালয় অনন্য ইতিহাস ডাকাতি করতে গিয়ে ডাকাতের গুলিতে ডাকাত নিহত তিমির বীরগঞ্জে ৩টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কে জরিমানা. বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ ১১ বছর পর অ্যাপেন্ডিক্স এর অপারেশনে জনমনে স্বস্তি মোরেলগঞ্জে কোডেক এর সংলাপ অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জ যথাযথ কর্তপক্ষের কমিটির অজান্তে পুরাতন ভবন ও গাছ বিক্রি করলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ মোরেলগঞ্জে সিসিডিবি’র উদ্যোগে প্রশিক্ষন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে....। আগ্রহীগণ যোগাযোগ করুন:  01911179663

কৃষকদল নেতা তরিকুল হত্যা মামলার মূল হোতা পিন্টু অবশেষে গ্রেপ্তার: তীব্র ক্ষোভ এলাকাবাসীর,

Reporter Name / ১২০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই, ২০২৫

গাজী রাসেল আকবার:অভয়নগর শিল্প শহর নওয়াপাড়ায় চাঞ্চল্যকর কৃষকদল নেতা তরিকুল ইসলাম হত্যা মামলার প্রধান পরিকল্পনাকারী ও কিলার গ্যাংয়ের মাস্টারমাইন্ড পিন্টু বিশ্বাস (মিন্টু) দীর্ঘ দুই মাস আত্মগোপনে থাকার পর গতকাল বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেছে। পরে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে সরাসরি কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অভিযুক্ত পিন্টু বিশ্বাস যশোরের অভয়নগর উপজেলার ডহর মশিয়াহাটি গ্রামের মৃত বিরেশ্বর বিশ্বাসের ছেলে। নিহত তরিকুল ইসলাম ছিলেন একই এলাকার বিশিষ্ট কৃষকদল নেতা এবং স্থানীয় রাজনীতির একজন বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর। ঘটনার পেছনে পূর্বপরিকল্পিত হত্যার অভিযোগ গত ২২ মে সন্ধ্যায় পূর্বপরিকল্পিতভাবে পিন্টু বিশ্বাসের নিজ বাড়িতে ডেকে নিয়ে তরিকুল ইসলামকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। এলাকাবাসীর মতে, এটি ছিল একটি ঠান্ডা মাথার রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড, যার নেতৃত্বে ছিলেন পিন্টু নিজেই। হত্যাকাণ্ডের পর পিন্টুর নাটকীয় আত্মগোপন হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পিন্টু বিশ্বাস গা ঢাকা দেয়। তীব্র জনরোষ এবং রাজনৈতিক চাপের মুখে অবশেষে সে আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। আত্মগোপনে থাকার সময় তার পেছনে প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়া ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তরিকুল ছিলেন তৃণমূল রাজনীতির প্রতীক নিহত তরিকুল ইসলাম ছিলেন নওয়াপাড়া পৌর কৃষকদলের সভাপতি। তিনি একজন জননন্দিত, পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে এলাকাবাসীর হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে পুরো এলাকা শোকস্তব্ধ ও ক্ষুব্ধ। বিচারের দাবিতে উত্তাল এলাকা এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এবং পিন্টু বিশ্বাসসহ সকল আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকায় মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও রাজনৈতিক সহকর্মীরা বলছেন, “আমাদের ভাই তরিকুল ইসলাম কোনো অপরাধ করেনি—তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই।” মামলা ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া হত্যার পর নিহতের ভাই রফিকুজ্জামান টুলু বাদী হয়ে অভয়নগর থানায় ১১ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত এখনো চলমান। সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। — তরিকুল ইসলাম ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা। তাঁর রক্তের ঋণ জাতিকে শোধ করতে হবে ন্যায়বিচারের মাধ্যমে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category