শিরোনাম:
হরিজন জনগোষ্ঠীর টেকসই উন্নয়নে শিশু শিক্ষার ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা রংপুরে আল মকবুল তাহফিজুল কুরআন একাডেমির নিজস্ব ক্যাম্পাসের উদ্বোধন সিংড়ায় খাবার খেয়ে একসাথে অসুস্থ ৮ শ্রমিক, হাসপাতালে ঐতিহ্য ও শিক্ষার দীপ্ত প্রতীক কালীগঞ্জের বক্তারপুরের ফুলদী জনতা উচ্চ বিদ্যালয় অনন্য ইতিহাস ডাকাতি করতে গিয়ে ডাকাতের গুলিতে ডাকাত নিহত তিমির বীরগঞ্জে ৩টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার কে জরিমানা. বটিয়াঘাটা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দীর্ঘ ১১ বছর পর অ্যাপেন্ডিক্স এর অপারেশনে জনমনে স্বস্তি মোরেলগঞ্জে কোডেক এর সংলাপ অনুষ্ঠিত মোরেলগঞ্জ যথাযথ কর্তপক্ষের কমিটির অজান্তে পুরাতন ভবন ও গাছ বিক্রি করলেন স্কুল কর্তৃপক্ষ মোরেলগঞ্জে সিসিডিবি’র উদ্যোগে প্রশিক্ষন
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২২ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে....। আগ্রহীগণ যোগাযোগ করুন:  01911179663

জানুয়ারিতে বই বিতরণ নিয়ে এবারও শঙ্কা

Reporter Name / ২৭১ Time View
Update : শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ইবিডেস্ক: ছবি :সংগৃহীত  নতুন শিক্ষাবর্ষ-২০২৫ শুরু হতে বাকি মাত্র তিন মাস। চূড়ান্ত হয়নি পাঠ্যবইয়ের পা-ুলিপি। শুধু তাই নয়, কয়েকটি শ্রেণিতে হয়নি টেন্ডারও। এখনো বই ছাপা শুরু না হওয়ায় জানুয়ারিতে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছানো নিয়ে তৈরি হয়েছে শঙ্কা। মুদ্রণ সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বছরের শুরুতে কিছু বই পৌঁছানো সম্ভব হলেও সব বই ছাপা শেষ হতে মার্চ পর্যন্ত সময় লাগবে।

প্রতি বছরের মতো ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রায় ৩৫ কোটি বিনামূল্যের বই ছাপাবে সরকার। তবে বছর শেষ হতে তিন মাস বাকি থাকলেও এখনো চারটি শ্রেণিতে ছাপা কাজের প্রথম ধাপ টেন্ডার প্রক্রিয়াই শুরু করতে পারেনি জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড- এনসিটিবি।

ছয়টি শ্রেণির টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হলেও পা-ুলিপি চূড়ান্ত না হওয়ায় বই ছাপার কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না। আগামী শিক্ষাবর্ষে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত প্রচলিত কারিকুলামের বই থাকবে বলে সিদ্ধান্ত হলেও এসব বইয়ের প্রচ্ছদ থেকে শুরু করে কন্টেন্টে নানা পরিবর্তনের মাধ্যমে তা পরিমার্জন করা হবে। আর নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পুরানো কারিকুলামের বই দেয়ার কথা বলা হলেও তাতেও আসবে নানা পরিবর্তন। আর মাধ্যমিকে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগ আবার চালু হওয়ায় বাড়ছে বইয়ের সংখ্যাও। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য (পাঠ্যক্রম) অধ্যাপক সাইদুর রহমান বলছেন, চ্যালেঞ্জ থাকলেও শিক্ষার্থীদের হাতে সময়মতো বই পৌছাতে সবোর্চ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। মুদ্রণ সংশ্লিষ্টরা সচেষ্ট হলে এই সময়ে কাজ শেষ করা সম্ভব।

তবে মুদ্রণ ব্যবসায়ীরা বলছেন ভিন্ন কথা। জানুয়ারিতে কিছু বই পৌছানো সম্ভব হলেও নবম-দশম শ্রেণির বই পেতে মার্চ পর্যন্ত সময় লাগবে।
বাংলাদেশ মুদ্রণ শিল্প সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহুরুল ইসলাম বলেন, আমার অভিজ্ঞতা, দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন ও মেশিন ক্যাপাসিটির আলোকে বলছি নবম-দশম শ্রেণির যে বই তা কোনোক্রমেই মার্চের আগে দেয়া সম্ভব না। এছাড়া কারিকুলামের যে কারেকশন আছে তা যতো দ্রুত করতে পারবে তা আমাদের জন্য কল্যাণকর, এনসিটিবির জন্যও কল্যাণকর। পুরো প্রক্রিয়া সময়মতো শেষ করতে পরিমার্জনের পাশাপাশি পা-ুলিপি দ্রুত সময়ের মধ্যে চূড়ান্ত করার পরামর্শ মুদ্রণ শিল্প সমিতির।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category