নিজস্ব প্রতিবেদক,রংপুর।।
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নং লোহানীপাড়া ইউনিয়নে প্রায় ৩০০ মোটরসাইকেলের শোডাউন নিয়ে ছয়টি দুর্গাপূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রায়হান কবির মিল্টনের সহধর্মিণী। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশ নেন। পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, কয়েকটি মণ্ডপে নগদ অর্থ সহায়তা এবং আগামী নির্বাচনে মিল্টনের পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানানোর মধ্য দিয়ে কর্মসূচি পালন করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মোটরসাইকেলের দীর্ঘ বহর নিয়ে লোহানীপাড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূজামণ্ডপগুলোতে যান রায়হান কবির মিল্টনের স্ত্রী ও তাঁর সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীরা। প্রায় ৩০০ মোটরসাইকেলের অংশগ্রহণে এ শোডাউনকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা তৈরি হয়। ইউনিয়নের প্রতিটি পূজামণ্ডপে পৌঁছে তাঁরা পূজা উদ্যাপন কমিটির সদস্য, ভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান।
পরিদর্শনকালে রায়হান কবির মিল্টনের স্ত্রী সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি তাঁদের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। দুর্গাপূজার আনন্দ সবার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ুক—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি পূজামণ্ডপগুলোর আয়োজক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় কয়েকটি পূজামণ্ডপে নগদ অর্থ সহায়তাও দেওয়া হয়।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উদ্দেশে রায়হান কবির মিল্টনের স্ত্রী তাঁর স্বামীর পক্ষে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে থাকার এবং ইউনিয়নের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেন।
তাঁর এ আহ্বানের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতার বিষয়টিও সামনে আসে।
বদরগঞ্জ উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে ১৫ নং লোহানীপাড়া ইউনিয়নটি স্থানীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সামাজিক যোগাযোগ, জনসম্পৃক্ততা ও বিভিন্ন কর্মসূচি ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ছে। এরই অংশ হিসেবে রায়হান কবির মিল্টনের পক্ষ থেকে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও নেতাকর্মীদের নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি, ধর্মীয় উৎসবে অংশগ্রহণ এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ক্ষেত্রে এ ধরনের কর্মসূচি ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য প্রার্থীদের সামাজিক ও রাজনৈতিক উপস্থিতিও স্থানীয় আলোচনায় গুরুত্ব পাচ্ছে।