জুয়েল হালদার
দেশের প্রাণিসম্পদ খাতে নতুন উদ্যম সঞ্চার করতে দায়িত্ব নিলেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রশাসক মো. শাহজামান খান। গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় তাকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি সদ্য সাবেক (ভারপ্রাপ্ত) মহাপরিচালক আবু সুফিয়ানের স্থলবিষিক্ত হয়েছেন।
কর্মজীবনে দক্ষতার ছাপ
শাহজামান খান এর আগে কৃত্রিম প্রজনন দপ্তরের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই পদে তিনি অত্যন্ত সফলতার সাথে কাজ করেছেন। তাঁর সময়ে দেশে উন্নত জাতের গবাদিপশুর উৎপাদন বাড়াতে কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রমে গতি আসে। মাঠপর্যায়ের খামারিরা সরাসরি সুফল পেয়েছেন।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণ এবং মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম আরও কার্যকর করতেই এই প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা
নিয়োগের পরপরই বিভিন্ন মহল আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। আলোকিত বাংলাদেশের প্রতিবেদনে বলা হয়, দীর্ঘদিন পর এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে একজন ডাইনামিক, দক্ষ এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের আগমন ঘটেছে।
শাহজামান খান কর্মজীবনে একজন মেধাবী ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত। তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, পরিকল্পনা গ্রহণের সক্ষমতা এবং বাস্তবায়নে দৃঢ়তা তাকে অন্যান্যদের থেকে আলাদা করেছে। d2e1
বেসরকারি খাতের আস্থা
১২ এপ্রিল ২০২৬ স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি এগ্রোভেট ডিভিশনের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নতুন মহাপরিচালকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাৎকালে মহাপরিচালক প্রাণিসম্পদ খাতে স্কয়ার এগ্রোভেট ডিভিশনের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ খাতের অগ্রগতিতে বেসরকারি খাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। dd23
অপরদিকে স্কয়ারের প্রতিনিধিদল আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, শাহজামান খানের নেতৃত্বে প্রাণিসম্পদ খাত আরও গতিশীল ও উন্নত হবে। দক্ষ নেতৃত্ব ও সঠিক দিকনির্দেশনায় দেশের প্রাণিজ সম্পদ খাত আগামী দিনে আরও এগিয়ে যাবে বলে তারা মনে করেন। dd23
সামনের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা
দেশের ডিম, দুধ ও মাংসের চাহিদা মেটাতে প্রাণিসম্পদ খাতের ভূমিকা অপরিসীম। নতুন মহাপরিচালকের অভিজ্ঞতা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সক্ষমতা এই খাতে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। তাঁর নেতৃত্বে অধিদপ্তরের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে এবং সেবার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
শাহজামান খান কর্মজীবনে একজন মেধাবী ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তা হিসেবে সুপরিচিত। তার প্রশাসনিক দক্ষতা, পরিকল্পনা গ্রহণের সক্ষমতা এবং বাস্তবায়নে দৃঢ়তা তাকে অন্যান্যদের থেকে আলাদা করে তুলে ধরেছে। তিনি সবসময় কাজের প্রতি নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্ব বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করেছেন, যা তাকে একজন সফল প্রশাসক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
ছাত্রজীবন থেকেই তিনি নেতৃত্বগুণের পরিচয় দিয়েছেন। সে সময় তিনি জাতীয়তাবাদী ছাত্র সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যেখানে তিনি সংগঠন পরিচালনা, দল গঠন এবং নেতৃত্ব প্রদানের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। এই অভিজ্ঞতা তার পরবর্তী কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
প্রাণিসম্পদ খাত বাংলাদেশের অর্থনীতি, পুষ্টি নিরাপত্তা এবং গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শাহজামান খানের যোগ্য নেতৃত্বে এই খাত আরও আধুনিক, টেকসই এবং উৎপাদনশীল হয়ে উঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা করা হচ্ছে। নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার, খামারিদের সহায়তা বৃদ্ধি এবং উৎপাদন ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে তিনি এই খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন বলে দৃঢ় বিশ্বাস করা যায়।
সব মিলিয়ে, শাহজামান খান একজন দক্ষ, মেধাবী ও দূরদর্শী কর্মকর্তা, যার নেতৃত্বে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আগামী দিনে আরও এগিয়ে যাবে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।