শিরোনাম :
‎জনগণের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই: রায়হান কবির মিল্টন কামাল মজুমদারের উদ্যোগে তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে হাজীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ মারুফ হাসানের ক্যামেরা চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩নং কালোচোঁ উত্তর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামাল হোসেন মজুমদারের উদ্যোগ ও অর্থায়নে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজাপুর সিদ্দিকিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন মজুমদার, ৩নং কালোচোঁ উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লিয়াকত, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জুলহাস পাটোয়ারী, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম মিজি, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক মেম্বার, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মিজান খান, ৩নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. সবুজ বেপারী, বিএনপির সদস্য হাজী বাবুল, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খোকন মজুমদার, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি মো. ইব্রাহীম খলিল, ১নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন ও নবির হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মালেক ও আবু তাহের এবং ছাত্রদল নেতা রাকিব, মো. মেহেদী, মো. সাব্বির, মো. সাহেদ ও মো. রাজুসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। ইসলামী আন্দোলন না ছাড়ার ঘোষণা মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিতের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিককে হুমকি ,থানায় অভিযোগ ইসলামী আন্দোলন ছাড়ার গুঞ্জন মুফতি সালেহ আহমাদ মুহিতের লোহানীপাড়ায় কোনো জুয়া-লটারি চলবে না’—চেয়ারম্যান প্রার্থী মিল্টনের ঘোষণা উত্তর পশ্চিম রাজারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি নির্বাচিত মাহবুবুর রহমান বাবু হাজীগঞ্জে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মরণোত্তর বীমা দাবির চেক প্রদান ও গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত স্বর্ণকলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি হলেন সাংবাদিক হাবীব খুলনার রূপসায় যুবকের আত্মহত্যা
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন

আবারও আটলিয়ার হাল ধরতে চান ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন: উন্নয়নের ধারা সচল রাখার প্রত্যয়

Reporter Name
Update : মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬

শেখ মাহতাব হোসেন(ডুমুরিয়া)খুলনা: খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার ৫ নম্বর আটলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ে রাজনৈতিক তৎপরতা ও নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। বর্তমান পরিষদের সফল সমাপ্তি ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে আবারও চেয়ারম্যান হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন।

খুলনা জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও আটলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত এই রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সাধারণ মানুষের মাঝে অত্যন্ত সুপরিচিত। এলাকার মানুষের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা, সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং করোনাকালীন ও পরবর্তী সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তিনি ইউনিয়নে এক শক্তিশালী জনভিত্তি তৈরি করেছেন। আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নানা অপপ্রচার ও কাদা ছোড়াছুড়ি উপেক্ষা করে দলের সমর্থন ও জনগণের রায় নিয়ে আবারও নির্বাচিত হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
নির্বাচনী প্রস্তুতি, দলীয় অবস্থান ও সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সম্প্রতি এই প্রতিবেদকের মুখোমুখি হয়েছিলেন আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন। পাঠকদের জন্য তার বিশেষ সাক্ষাৎকারটি নিচে তুলে ধরা হলো:
ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিনের বিশেষ সাক্ষাৎকার
প্রতিবেদক: আপনি তো দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র আটলিয়া ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এবং জেলা কমিটির সদস্য হিসেবে আছেন। দলীয় অবস্থান ও আদর্শের জায়গা থেকে আবারও চেয়ারম্যান পদে লড়ার সিদ্ধান্ত কেন নিলেন?
শেখ হেলাল উদ্দিন: দেখুন, জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শ বুকে নিয়ে আমি তৃণমূল থেকে রাজনীতি করে আসছি। গত মেয়াদে আটলিয়াবাসী দল-মত নির্বিশেষে আমাকে ভালোবেসে তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছিলেন। আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে এলাকার রাস্তাঘাট, কালভার্ট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়ন করেছি। শহীদ জিয়ার দর্শন অনুযায়ী তৃণমূলের মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করাই আমার লক্ষ্য। তবে একটি মডেল ইউনিয়ন গড়তে যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন, তা এক মেয়াদে পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব নয়। কিছু অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করতে এবং আটলিয়াকে একটি আধুনিক, ডিজিটাল ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতেই আমি দলের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে আবারও প্রার্থী হতে চাই। সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সকল ধর্মীয়‌ সনাতনী সম্প্রদায়ের জানমালের নিরাপত্তা এবং স্বাধীনভাবে ধর্ম পালনের অধিকার শতভাগ নিশ্চিত করা হবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন

“সনাতন ধর্মীয় ভাই-বোনেরা এ দেশেরই নাগরিক। আপনারা যেন স্বাধীনভাবে এবং নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারেন, আপনাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান ও সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন—তা আমরা শতভাগ নিশ্চিত করছি। আপনাদের ভয়ের কোনো কারণ নেই।“
তিনি আরও বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা আমাদের মূল ভিত্তি। কোনো ধরনের উসকানি বা অপশক্তি যেন এই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করতে না পারে।

প্রতিবেদক: বিগত মেয়াদে আপনার উল্লেখযোগ্য সাফল্যগুলো কী কী?
শেখ হেলাল উদ্দিন: আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে পরিষদের কার্যক্রমে শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করেছি। টিআর, কাবিখা, ভিজিডি, ভিজিএফ এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর (বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা) সুবিধাভোগী নির্বাচনে কোনো প্রকার স্বজনপ্রীতি বা অনিয়ম হতে দিইনি। এলাকার প্রধান প্রধান গ্রামীণ রাস্তাগুলো পাকাকরণ করা হয়েছে। তাছাড়া, এলাকার মৎস্য চাষি ও সাধারণ কৃষকদের যেকোনো সমস্যায় আমি নিজে মাঠে গিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছি। ইউনিয়ন পরিষদকে সাধারণ মানুষের জন্য একটি উন্মুক্ত ও নিরাপদ স্থান হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি— এটাই আমার সবচেয়ে বড় তৃপ্তি।
প্রতিবেদক: নির্বাচন ঘনিয়ে আসতেই আপনার বিরুদ্ধে কিছু অপপ্রচার ও জমি দখলের মতো অভিযোগ উঠেছে, এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?
শেখ হেলাল উদ্দিন: (হেসে) রাজনীতিতে যখন আপনি জনপ্রিয় হবেন এবং শক্ত রাজনৈতিক আদর্শ (বিএনপি) ধারণ করবেন, প্রতিপক্ষ তখন সরাসরি মাঠে না পেরে অপপ্রচারের পথ বেছে নেবে। আমার বিরুদ্ধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল বা বালির ব্যবসার যে তথ্য ছড়ানো হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আপনারা সাংবাদিকরা সরেজমিনে গিয়ে দেখেছেন— ওই জমিটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিমালিকানাধীন রেকর্ডভুক্ত সম্পত্তি, যার মালিকরা নিজেরা চুক্তিপত্র করে ব্যবসায়ীকে ভাড়া দিয়েছেন। আমার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি চক্র আসন্ন নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে এই কাদা ছোড়াছুড়ির আশ্রয় নিচ্ছে। আমি প্রশাসনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছি, নিরপেক্ষ তদন্তে যদি আমার বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তবে যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব। কিন্তু জনগণ এসব সস্তা প্রোপাগান্ডা বোঝে, তারা আমার সাথে আছে।
প্রতিবেদক: পুনরায় নির্বাচিত হলে আটলিয়া ইউনিয়ন নিয়ে আপনার মূল পরিকল্পনা বা ভিশন কী?
শেখ হেলাল উদ্দিন: আমাদের আটলিয়া ইউনিয়ন কৃষি ও মৎস্য সম্পদের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। যদি আবারও সুযোগ পাই, তবে প্রথম কাজ হবে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন এবং কৃষি খাতের আধুনিকায়ন। ডুমুরিয়া-মাগুরখালি রোডের যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন নিশ্চিত করব। এছাড়া, তরুণ সমাজকে মাদকের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের বিকাশ ঘটাব। জন্ম নিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ সব ধরনের নাগরিক সেবা শতভাগ ডিজিটাল করব, যাতে সাধারণ মানুষকে কোনো দালালের খপ্পরে পড়তে না হয়। এক কথায়, আটলিয়া হবে ডুমুরিয়ার মধ্যে একটি অন্যতম স্বনির্ভর ও আদর্শ ইউনিয়ন।
প্রতিবেদক: ভোটার, সমর্থক ও সাধারণ জনগণের উদ্দেশ্যে আপনার শেষ বার্তা কী?
শেখ হেলাল উদ্দিন: আটলিয়ার সর্বস্তরের মানুষ এবং আমার প্রাণের সংগঠন বিএনপির প্রতিটি নেতাকর্মীই আমার শক্তি। আমি আপনাদের ঘরের সন্তান। ভালো-মন্দে সবসময় আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। কোনো ভুলত্রুটি হলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আমি আপনাদের অনুরোধ করব— কোনো ধরনের অপপ্রচারে কান দেবেন না। যোগ্য ও সততার বিচার করে আগামী নির্বাচনে আমাকে আবারও আপনাদের সেবা করার সুযোগ দিন। আমি আপনাদের আমানতের মর্যাদা রক্ষা করব, ইনশাআল্লাহ।
প্রতিবেদকের মন্তব্য: মাঠ পর্যায়ের সাধারণ ভোটার ও স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শেখ হেলাল উদ্দিনের দলীয় সাংগঠনিক দক্ষতা ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি সাধারণ মানুষের মাঝে তার গ্রহণযোগ্যতা ধরে রেখেছে। আসন্ন নির্বাচনে রাজনৈতিক সমীকরণ যাই হোক না কেন, আটলিয়ার নির্বাচনী মাঠে বিএনপি নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি যে অন্যতম প্রধান ফ্যাক্টর, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

কামাল মজুমদারের উদ্যোগে তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে হাজীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ মারুফ হাসানের ক্যামেরা চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩নং কালোচোঁ উত্তর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামাল হোসেন মজুমদারের উদ্যোগ ও অর্থায়নে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজাপুর সিদ্দিকিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন মজুমদার, ৩নং কালোচোঁ উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লিয়াকত, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জুলহাস পাটোয়ারী, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম মিজি, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক মেম্বার, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মিজান খান, ৩নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. সবুজ বেপারী, বিএনপির সদস্য হাজী বাবুল, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খোকন মজুমদার, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি মো. ইব্রাহীম খলিল, ১নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন ও নবির হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মালেক ও আবু তাহের এবং ছাত্রদল নেতা রাকিব, মো. মেহেদী, মো. সাব্বির, মো. সাহেদ ও মো. রাজুসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

কামাল মজুমদারের উদ্যোগে তারেক রহমানের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উপলক্ষে হাজীগঞ্জে শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ মারুফ হাসানের ক্যামেরা চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার ৩নং কালোচোঁ উত্তর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কামাল হোসেন মজুমদারের উদ্যোগ ও অর্থায়নে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজাপুর সিদ্দিকিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের হাতে গাছের চারা তুলে দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাজীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জসিম উদ্দিন মজুমদার, ৩নং কালোচোঁ উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদ, ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. লিয়াকত, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. জুলহাস পাটোয়ারী, সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম মিজি, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মানিক মেম্বার, ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. মিজান খান, ৩নং ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. সবুজ বেপারী, বিএনপির সদস্য হাজী বাবুল, ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খোকন মজুমদার, ৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সেক্রেটারি মো. ইব্রাহীম খলিল, ১নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. শামীম হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি মো. এমদাদ হোসেন ও নবির হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আব্দুল মালেক ও আবু তাহের এবং ছাত্রদল নেতা রাকিব, মো. মেহেদী, মো. সাব্বির, মো. সাহেদ ও মো. রাজুসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যেই এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। কর্মসূচিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো আয়োজন প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।