শিরোনাম :
‎রংপুরে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে ‘স্তব্ধ’ কর্মসূচি, নেসকো কার্যালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি রংপুরে ‘ঢাকা বিরানি হাউস’-এর নতুন শাখার শুভ উদ্বোধন ‎ভাঙা কালভার্টে ঝুঁকিতে চার গ্রামের মানুষ, দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর মোরেলগঞ্জে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ গাছ কাটার অভিযোগ, ম্যানেজিং কমিটি নিয়েও প্রশ্ন হাজীগঞ্জে ৪ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ হাজীগঞ্জে মাদক মামলায় যুবকের ১ মাসের কারাদণ্ড মাদক নয়, মাঠে ফিরুক তরুণরা—কচুয়া নয়াপাড়ার কিশোরদের ফুটবল দিলেন রায়হান কবির মিল্টন ‎রংপুরে কালবেলার সাংবাদিকের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ, কোতোয়ালি থানার এসআই ক্লোজড বদরগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক কমিটি গঠন মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করায় সাংবাদিক ও পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ মাদক ব্যবসায়ী ফারুকের বিরুদ্ধে
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:৫০ অপরাহ্ন

‎ভাঙা কালভার্টে ঝুঁকিতে চার গ্রামের মানুষ, দ্রুত সংস্কারের দাবি এলাকাবাসীর

Reporter Name
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬

তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:

‎রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের পশ্চিম কুর্শা শেখের চক গ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্টের অধিকাংশ অংশ ভেঙে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় কালভার্টটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। এতে পশ্চিম কুর্শা, মুড়িয়া, চুয়ারপার ও শেখের চক গ্রামের বাসিন্দাদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, কালভার্টটির বিভিন্ন অংশ ভেঙে যাওয়ায় সড়কের ওই অংশ দিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিদিন পথচারী, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা অংশ পার হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা না থাকায় কালভার্টের ভাঙা অংশ সহজে চোখে পড়ে না। এতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

‎স্থানীয় বাসিন্দা ফজলুল করিম বলেন, শেখের চকসহ আশপাশের কয়েকটি গ্রামের মানুষের উপজেলা সদর ও বিভিন্ন হাট-বাজারে যাতায়াতের জন্য সড়কটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রতিদিন এ সড়ক ব্যবহার করেন। কিন্তু কালভার্টটি দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকায় তাদের প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।আরেক বাসিন্দা জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘কালভার্টের বড় অংশ ভেঙে পড়ে আছে। দিনের বেলায় কোনোভাবে দেখা গেলেও রাতে বোঝার উপায় থাকে না। অন্ধকারে চলাচল করতে গিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটার আগেই কালভার্টটি সংস্কার করা প্রয়োজন। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত কালভার্টটির ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার করা না হলে বর্ষা ও অতিবৃষ্টিতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। এতে কালভার্টের অবশিষ্ট অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যোগাযোগব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে দ্রুত কালভার্টটি সংস্কার অথবা নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

‎এ বিষয়ে তারাগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) নাফিউর রহমান বলেন, কালভার্টের ক্ষতিগ্রস্ত অংশের কারণে স্থানীয়দের চলাচলে যে সমস্যা হচ্ছে, তা দ্রুত সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, কালভার্টটি দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় থাকায় স্থানীয় মানুষের দুর্ভোগের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী সংস্কার বা মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনসাধারণের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category