শিরোনাম :
ফরিদপুরের বোয়ালমারীর খরসূতী সরকারী কলেজ থেকে খরসূতী ঈদগাহ পর্যন্ত রাস্তার বেহাল অবস্থা শিশু শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি ফরিদপুরের সহস্রাইল বাজারে আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় যাত্রীবাহী বাস সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে তিনজনের মৃত্যু অজ্ঞাত পরিচয়ের মৌলভীবাজারে একটি অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার রংপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিলে ‎‘ভারত যদি বন্ধু হও, হাসিনাকে ফেরত দাও’ রূপসায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যাস্ত সময় পার করছে প্রতিমা তৈরির কারিগররা রংপুরে প্রধান শিক্ষিকার অনিয়মের সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে থানায় জিডি নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগমন ঘিরে নেতাকর্মীদের উল্লাস পাইকগাছায় ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প, পরীক্ষা প্রায় এক হাজার ছানি অপারেশনের জন্য বাছাই ৮০ জন কাপ্তাইয়ে ২৫ ফরেস্ট গার্ডের সপ্তাহব্যাপী বেসিক ফরেস্ট্রি প্রশিক্ষণ শুরু
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন

‎পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার সময় আমার ছেলের গায়ে ছিল গেঞ্জি, পরে দেখি শার্ট : সিদ্ধার্থের বাবা ‎

Reporter Name
Update : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬

রংপুর ব্যুরো: আঃ রাজ্জাক (রিয়াদ) 

‎গতকাল সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকালে আসামির পরনের শার্টের ব্যাপারে জানতে চাইলে বিনয় দাস ও সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আটকের সময় সিদ্ধার্থের গায়ে শুধু একটি কালো ঘিয়া রঙের গেঞ্জি ছিল। ওই নকশার কোনো শার্ট সিদ্ধার্থের কখনোই ছিল না।

‎বিনয় দাস সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘শনিবার রাতে গণপতির বাড়িতে পুলিশসহ অনেক লোক জড়ো হন। এরপর ভোররাতে পুলিশ আমার বাড়িতে এসে সিদ্ধার্থের খোঁজ করে। আমি ওকে চাচার বাড়ি থেকে ঘুম থেকে ডেকে এনে পুলিশের হাতে তুলে দিই। তখন তার গায়ে একটি গেঞ্জি ছিল।

‎যখন আমার ছেলেকে সাংবাদিকদের সামনে আনলো তখন দেখেছি গায়ে শার্ট। ওই শার্ট কার? ওই ধরনের শার্ট কখনোই তাকে পরতে দেখি নাই।’

‎সিদ্ধার্থের বড় ভাই পার্থ দাস বলেন, ‘রোববার ভোরে পুলিশ যখন আমার ভাইকে আটক করেছিল, তখন তার গায়ে একটি ঘিয়া রঙের গেঞ্জি ছিল। ওই ধরনের কোনও শার্ট আমার ভাইয়ের কখনোই ছিল না।

‎আমার ভাই কীভাবে ওই শার্টটি পরলো, তা আমরা জানি না। এ বিষয়ে পুলিশই ভালো বলতে পারবে।’

‎রবিবার রাত থেকেই সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে—আটকদের একজনের গায়ের জামা একজন পুলিশ কর্মকর্তার গায়ের জামা হুবহু একই হওয়ার ঘটনা। ওই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন রংপুরের উপ পুলিশ কমিশনার গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী। তিনি বলেছেন, ‘এটি কাকতালীয়। ওই জামা রংপুরে আমিসহ আরো দুই শ জনের আছে। একই ধরনের শার্ট আরো অনেকেরই থাকতে পারে। এটিকে সামনে এনে ঘটনা ভিন্নভাবে প্রচারের চেষ্টা চলছে।’

‎আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারা যখন ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত কার্যক্রমে অংশ নিয়েছিলেন তখন তিনি ওই জামাটিই পরিহিত ছিলেন। তখন স্থানীয় কিছু নিউজ পোর্টাল যে লাইভ করছিল তাতেও সনাতন চক্রবর্তীর গায়ে ওই শার্ট দেখা গেছে। পরে পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে যখন বাইরে আনা হয় তখন সিদ্ধার্থ দাসের গায়েও ওই একই ধরনের শার্ট দেখা গেছে। সনাতন চক্রবর্তী বলেছেন, ‘আমরা যখন তাদের আটক করে আমাদের অফিসে এনে বসাই তখনও সিদ্ধার্থ দাসের গায়ে ওই শার্টটিই ছিল।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category