শিরোনাম :
‎লোহানীপাড়ার এসএসসি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পাশে থাকার ঘোষণা রায়হান কবির মিল্টনের ‎ ‘সামনে হুজুর, পেছনে দুশমনি’—বিরোধিতাকারীদের নিয়ে মুফতি সালেহর ফেসবুক পোস্ট রংপুরে ইয়াবা বিক্রির সময় যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ ইসলামের স্বার্থেই জোট হয়েছিল , ইসলামের স্বার্থেই বেরিয়ে এসেছি: ফয়জুল করীম বাংলাদেশে কেয়ামত পর্যন্ত ঘুষ-দুর্নীতি বন্ধ হবে না: মুফতি ফয়জুল করীম সৌদি আরবে সোফা কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে বাংলাদেশি শ্রমিকদের মর্মান্তিক মৃত্যু ক্ষতিপূরণের অর্থ অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। এন. এম. ঈসা মোরেলগঞ্জে দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধির পিতার ইন্তেকাল: মোরেলগঞ্জে দৈনিক ইত্তেফাক প্রতিনিধির বাবার ইন্তেকাল খুলনায় পিকআপের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত, চালকসহ আটক ২ শরণখোলায় কোডেকের সংলাপ অনুষ্ঠিত
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন

‎মধুপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন হযরত একরাম

Reporter Name
Update : বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক,রংপুর।।

‎আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ১০ নম্বর মধুপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তরুণ সমাজসেবক ও শিক্ষিত মুখ মো. হযরত একরাম। “শিক্ষা, ঐক্য ও উন্নয়ন এগিয়ে যাবে বদরগঞ্জ, গড়বে উন্নত রংপুর” এই স্লোগানকে সামনে রেখে তিনি একটি আধুনিক, পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও জনকল্যাণমুখী ইউনিয়ন গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। হজরত একরাম ফেসবুক পোস্টে চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। তার ঘোষণা দেয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও স্থানীয় জনপদে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। তিনি শিক্ষা, অবকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে অগ্রাধিকার দিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, নির্বাচিত হলে ইউনিয়ন পরিষদকে জনগণের সেবাকেন্দ্রে পরিণত করা হবে এবং দল-মত নির্বিশেষে সকল নাগরিককে সমান গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. হযরত একরাম বলেছেন, একটি জাতির উন্নয়নের মূল ভিত্তি হচ্ছে শিক্ষা। তাই মধুপুর ইউনিয়নের প্রতিটি শিক্ষার্থী ও শিশু যেন মানসম্মত শিক্ষার সুযোগ পায়, সেই লক্ষ্যেই কাজ করতে চান তিনি। তার পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা এবং আধুনিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ। তার মতে, শিক্ষায় বিনিয়োগই একটি উন্নত সমাজ গঠনের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

‎নির্বাচনী অঙ্গীকারে তিনি ইউনিয়নের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভাঙাচোরা ও কাঁচা সড়ক সংস্কার, নতুন রাস্তা নির্মাণ, ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, সেতু-কালভার্ট নির্মাণ এবং নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে একটি আধুনিক ইউনিয়ন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া গ্রামীণ জনপদের যোগাযোগ সহজ করতে প্রয়োজনীয় সরকারি প্রকল্প আনার জন্যও কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেছেন। মো. হযরত একরাম বলেছেন, একটি ইউনিয়নের উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন সেখানে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সামাজিক ঐক্য বজায় থাকে।তিনি ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সবাইকে নিয়ে উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার ভাষায়, ইউনিয়নের প্রতিটি মানুষই সমান মর্যাদা ও সম্মানের অধিকারী। সকলকে সঙ্গে নিয়েই একটি নিরাপদ, শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির সমাজ গড়ে তুলতে চান তিনি। তরুণদের বেকারত্ব কমাতে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন কর্মমুখী উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী করা, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর জন্য কাজ করবেন। তার মতে, একটি ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন তখনই সম্ভব, যখন মানুষ অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হবে।

‎নির্বাচনী প্রচারণায় পরিবেশ সংরক্ষণকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন মো. হযরত একরাম। তিনি বলেন, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, নিয়মিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, খাল-নদী রক্ষা এবং সবুজায়নের মাধ্যমে একটি পরিবেশবান্ধব ইউনিয়ন গড়ে তোলা হবে। তিনি বিশ্বাস করেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ সুস্থ সমাজ গঠনের অন্যতম পূর্বশর্ত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি উল্লেখ করেছেন, ইউনিয়ন পরিষদকে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে চান। তার মতে, জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে জনগণের সমস্যার কথা শোনা, দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা করা। তিনি আরও বলেন, নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমান উন্নয়ন নিশ্চিত করার চেষ্টা করবেন। হযরত একরাম রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর (এমএ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। স্থানীয় অনেকেই মনে করছেন, একজন শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্ব ইউনিয়নের উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে আসতে পারেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. হযরত একরাম ভোটারদের উদ্দেশে বলেছেন, মধুপুর ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, শিক্ষাবান্ধব ও সমৃদ্ধ ইউনিয়নে পরিণত করতে তিনি সকলের সহযোগিতা, দোয়া, সমর্থন ও মূল্যবান ভোট প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, “আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করি। ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়, জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে একটি উন্নত মধুপুর ইউনিয়ন গড়ে তুলি।”

রিয়াদ ইসলাম/রংপুর 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category