শিরোনাম:
কালীগঞ্জে বিএনপি নেতার নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন দুদকে অভিযোগ আইনজীবীর: আফতাব নগরেই সাব-রেজিস্টার মাইকেলের ২৯ ফ্ল্যাট খুলনায় পাইকারি দরের নামে খুচরা প্রতারণা! জেরিন ইলেকট্রিক্সের বিরুদ্ধে ভোক্তাদের ক্ষোভ মণিরামপুরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহে যত্রতত্র কারখানা,বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি বটিয়াঘাটার রায়পুর বারোআড়িয়া ও ফুলবাড়ী জনগুরুত্বপূর্ণ দুটি খেয়া ঘাট সাধারণ মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে ছাতকের তাতিকোনায় রশি টান প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী প্রেমের খেসারত দিলেন এক কিশোর বিআরটিসি বাস ডিপোর অনিয়ম নিয়ে কথা বলায় চালক রনির উপর দুর্বৃত্তের অতর্কিত হামলা চুয়াডাঙ্গায় উৎসবমুখর ও কঠোর নিরাপত্তায় শুরু হলো এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা খুলনায় অসুস্থ নাসিমা বেগমের পাশে জেলা তাঁতী দলের আর্থিক সহায়তা প্রদান
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
নোটিশ :
সারাদেশে জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে....। আগ্রহীগণ যোগাযোগ করুন:  01911179663

বটিয়াঘাটার রায়পুর বারোআড়িয়া ও ফুলবাড়ী জনগুরুত্বপূর্ণ দুটি খেয়া ঘাট সাধারণ মানুষের মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে

Reporter Name / ২২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

রিপব রায় (বটিয়াঘাটা)খুলনা প্রতিনিধি: বটিয়াঘাটা উপজেলার রায়পুর বারোআড়িয়া ও ফুলবাড়ী বারোআড়িয়া জনগুরুত্বপূর্ণ দুটি খেয়া ঘাট সাধারণ মানুষের পারাপার’র জন্য মরণ ফাঁদে পরিণত হয়েছে । উক্ত খেলা ঘাট দিয়ে খুলনা জেলা শহরের সাথে কম সময়ে স্বল্প খরচে যাতায়াতের সুবিধার্থে উপজেলার সুরখালী ইউনিয়ন, পাশ্ববর্তী ডুমুরিয়া, পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার সাধারণ মানুষ যাতায়াত করে আসছে ।বর্তমানে নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় উক্ত খেয়া ঘাট দুটি দিয়ে হাঁটু পর্যন্ত কাপড় উচু করে মায়েদের পাশাপাশি চাকুরীজীবী, স্কুল কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকমন্ডলী, হাটুরে এবং সাধারণ মানুষ ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে । উল্লেখ্য বিগত বছরে উক্ত খেয়াঘাট দুটির ইজরা গ্ৰহীতা ছিলেন গাওঘরা এলাকার মোকছেমুল , কল্যাণ শ্রী এলাকার মাসুদ ও বারোআড়িয়া এলাকার মোঃ খোকন । বিগত বছরের ইজারা গ্ৰহীতারা যাত্রীদের পারাপারের সুবিধার্থে পাকা ঘাট থেকে নদীর দুই তীরে পানি পর্যন্ত বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে যাত্রীদের পারাপার করেছেন আসছিল । বর্তমানে ঘাটের পাটনি হিসেবে ২ লক্ষ ৩০ হাজার টাকায় ইজারা গ্ৰহন করেছেন বারোআড়িয়া এলাকার রতন কুমার দাশ এবং তিনি যাত্রীদের কাছ থেকে পারাপারে ৫ টাকা নিচ্ছেন বলে জানা গেছে । কিন্তু বিগত বছরের ইজারা গ্ৰহিতারা তাদের নির্মিত বাঁশের সাঁকো খুলে নিয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের পারাপারের ঝুঁকি আরো মারাত্মক আকার ধারণ করেছে । অথচ পাশ্ববর্তী কৈয়া বাজার ও গাওঘরা ঘাটের সাঁকো ব্যক্তিগত উদ্যোগে নির্মান করলেও তাদের ইজারার মেয়াদ কাল শেষ হলেও তাদের নির্মিত বাঁশের সাঁকো খুলে নিয়ে যায়নি । এব্যাপারে ঘাটের ইজারা গ্ৰহীতা ঘাটে সাঁকো নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের নিকট মৌখিকভাবে আবেদন করেন নির্বাহী অফিসার থান্দার কামরুজ্জামান সরকারি বরাদ্দ না থাকায় ইজারাদারদের নির্মাণ করতে বলেন বলে জানিয়েছেন ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category