শিরোনাম :
‎বদরগঞ্জের গোপীনাথপুরে মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে এলাকাবাসী: থানায় লিখিত অভিযোগ ‎বিরলে কলেজছাত্রীকে অপহরণের অভিযোগে আটক-১ কালুপাড়ায় ১৫ টাকা কেজিতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল সুষ্ঠুভাবে বিতরণ হচ্ছে:‎স্বস্তিতে নিম্নআয়ের মানুষ  হাজীগঞ্জে ইমাম রাব্বানী দরবার শরীফ থেকে শামীম রেজাকে আজীবন বহিষ্কার দৈনিক ইবি নিউজের সহকারী বার্তা সম্পাদক কলি আক্তার আহত ডাঃ হাঃ রোডের কোলঘেঁষে মাদ্রাসা ঠেস বাসস্টপের নলেজ সিটিতে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে শিক্ষক দিবস উদযাপন বটিয়াঘাটায় ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্যের মধ্য উদযাপিত হয়েছে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী ‎তারাগঞ্জে মাদকবিরোধী ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত  ‎নাগেরহাটে বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রা পালিত  বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রূপসায় পদ্ম বিলের খালে মাছ অবমুক্ত
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৭ অপরাহ্ন

‎মিঠাপুকুরে জামায়াত মনোনীত দুই ইউনিয়নে ১১ মেম্বার প্রার্থী নাম ঘোষণা ‎

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রংপুর ব্যুরো: আঃ রাজ্জাক (রিয়াদ) 

‎রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ৭ নম্বর লতিবপুর ও ১৪ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নে ১১ জন মেম্বার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এসব প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের আমির আসাদুজ্জামান শিমুল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, ৭ নম্বর লতিবপুর ইউনিয়নের পাঁচটি ওয়ার্ডে এবং ১৪ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ছয়টি ওয়ার্ডে জামায়াতের পক্ষ থেকে মেম্বার প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে নির্বাচনী তৎপরতা শুরু হয়েছে। ৭ নম্বর লতিবপুর ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আলমগীর হোসেন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আনারুল ইসলাম, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মিজানুর রহমান এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মাসুম বিল্লাহ রয়েছেন। অন্যদিকে, ১৪ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নে ১ নম্বর ওয়ার্ডে মো. নুরুল হুদা, ২ নম্বর ওয়ার্ডে মাওলানা মো. মোখলেছার রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মো. বকুল মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল কাদের, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. রেজাউল করিম বকুল এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল গফুরকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

‎দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করা এবং নির্বাচনী কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যেই উপজেলার বাকি ইউনিয়ন গুলোতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ চলছে। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে তাদের পরিচিতি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। প্রার্থী ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোতে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের পরিচিতি তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনী মাঠে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সাংগঠনিকভাবে কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের আমির আসাদুজ্জামান শিমুল তার ফেসবুক পোস্টে প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করে তাদের নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রার্থী ঘোষণার বিষয়টি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

‎এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের আমির আসাদুজ্জামান শিমুল বলেন, “দলীয় সিদ্ধান্ত ও স্থানীয় পর্যায়ের সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। যারা প্রার্থী হয়েছেন, তারা নিজ নিজ এলাকায় মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। আমরা আশা করি, তারা জনগণের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে পারবেন এবং সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।” তিনি আরও বলেন, “জামায়াতে ইসলামী সবসময় যোগ্য, সৎ ও জনকল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেয়। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে জনগণের প্রত্যাশা ও এলাকার উন্নয়নকে সামনে রেখে প্রার্থীরা কাজ করবেন।”

‎স্থানীয় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ছে। ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড পর্যায়ের নির্বাচন স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টিও বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। ফলে মিঠাপুকুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে আগামী দিনগুলোতে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে ঘোষিত ১১ প্রার্থীর মধ্যে লতিবপুর ইউনিয়নে পাঁচজন এবং দুর্গাপুর ইউনিয়নে ছয়জন রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডেও দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। এতে মিঠাপুকুরের স্থানীয় নির্বাচনী রাজনীতিতে জামায়াতের তৎপরতা আরও দৃশ্যমান হবে বলে মনে করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category