
ফেসবুক পোস্টে উপজেলা আমীরের নিশ্চিতকরণ
নিজস্ব প্রতিবেদক,রংপুর।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ পর্যন্ত উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মিঠাপুকুর উপজেলা শাখার আমীর আসাদুজ্জামান শিমুল।
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, ১নং খোড়াগাছ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পেয়েছেন মোঃ রুহুল আমিন শাহিন, ২নং রানীপুকুর ইউনিয়নে মাওলানা মোঃ আমিনুল ইসলাম, ৩নং পায়রাবন্দ ইউনিয়নে মোঃ ফারুক হোসেন, ৪নং ভাংনী ইউনিয়নে আব্দুল্লাহ আল মামুন ওয়াহেদী, ৭নং লতিবপুর ইউনিয়নে মাওলানা মোঃ মোস্তাফিজার রহমান, ৮নং চেংমারী ইউনিয়নে মাওলানা আব্দুল মালেক, ৯নং ময়েনপুর ইউনিয়নে মোঃ আমিরুল ইসলাম, ১২নং মিলনপুর ইউনিয়নে মাওলানা আব্দুল বাতেন, ১৩নং গোপালপুর ইউনিয়নে মোঃ নাসিমুল হাসান, ১৫নং বড় হযরতপুর ইউনিয়নে মোঃ ফজলুল হক এবং ১৬নং মির্জাপুর ইউনিয়নে মাওলানা মোঃ শফিকুল ইসলামকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করা, স্থানীয় নেতৃত্বকে সক্রিয় রাখা এবং সম্ভাব্য নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই ধাপে ধাপে প্রার্থী ঘোষণা করা হচ্ছে। উপজেলা জুড়ে ইতোমধ্যে ঘোষিত প্রার্থীদের নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
উপজেলার রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন পর স্থানীয় রাজনীতিতে বিভিন্ন দলের তৎপরতা বাড়তে শুরু করেছে। সম্ভাব্য নির্বাচন সামনে রেখে মাঠ পর্যায়ে রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করতে দলগুলো নানা কৌশল গ্রহণ করছে। এরই অংশ হিসেবে জামায়াতে ইসলামী আগাম প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে।
ফেসবুক পোস্টে মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের আমীর আসাদুজ্জামান শিমুল জানান, এখন পর্যন্ত উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য ইউনিয়নের বিষয়েও সিদ্ধান্ত জানানো হতে পারে বলে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
তবে ঘোষিত প্রার্থীদের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক কর্মসূচি, নির্বাচনী ইশতেহার কিংবা প্রচারণা কার্যক্রমের বিস্তারিত তথ্য এখনো প্রকাশ করা হয়নি। স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে এবং আগামী দিনে এ ঘোষণার প্রভাব ইউনিয়ন পর্যায়ের রাজনীতিতে কতটা পড়বে, সেটি নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।