রংপুর ব্যুরো: আঃ রাজ্জাক (রিয়াদ)
রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার ১৫ নং লোহানীপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী রায়হান কবির মিল্টনের পক্ষ থেকে কাঁচাবাড়ি মৌলভি পাড়া যুবসমাজ সংগঠনের সদস্যদের মাঝে জার্সি উপহার দিয়েছে রায়হান কবির মিল্টন। এ উপলক্ষে স্থানীয় এলাকাবাসী ও যুবসমাজের সঙ্গে মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হয় সেখানে উপস্থিত ছিলেন রায়হান কবির মিল্টনের স্ত্রী ও মেয়ে। কাঁচাবাড়ি মৌলভি পাড়ার স্থানীয় যুবসমাজ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত এ মতবিনিময়ে এলাকার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি তরুণদের খেলাধুলা, সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে মতামত তুলে ধরেন স্থানীয়রা।
জার্সি উপহার পাওয়ার পর কাঁচাবাড়ি মৌলভি পাড়া যুবসমাজ সংগঠনের সদস্যরা রায়হান কবির মিল্টনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, ১৫ নম্বর লোহানীপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে তারা বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা সুযোগ-সুবিধা ও সহযোগিতা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। স্থানীয় সরকার কিংবা এলাকার মুরব্বিদের কাছ থেকেও কোনো ধরনের সহযোগিতা তারা পাননি বলে দাবি করেন। যুবসমাজের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে এলাকায় বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধিরা দায়িত্ব পালন করলেও এলাকার তরুণদের জন্য প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে খেলাধুলা ও যুবসমাজের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে প্রয়োজনীয় সহায়তার অভাব রয়েছে বলে তারা জানান।
তারা আরও বলেন, কিছুদিন আগে তারা অন্য একজন চেয়ারম্যান প্রার্থীর কাছে জার্সি চেয়েছিলেন। তবে সেখান থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়ায় তারা কষ্ট পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে রায়হান কবির মিল্টনের পক্ষ থেকে জার্সি উপহার দেওয়ায় তারা আনন্দিত এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। স্থানীয় যুবসমাজের কয়েকজন সদস্য বলেন, “আমরা ১৫ নম্বর লোহানীপাড়া ইউনিয়নের কাচা বাড়ি মৌলভি পাড়ার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য। অনেকদিন ধরে আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে সহযোগিতা চেয়েছি। কিন্তু তেমন কোনো সহযোগিতা পাইনি। রায়হান ভাই আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং জার্সি দিয়েছেন। এজন্য আমরা তার কাছে কৃতজ্ঞ। তারা বলেন, “আমরা চাই আমাদের এলাকার তরুণদের জন্য খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ আরও বাড়ুক। রায়হান কবির মিল্টন ভাই ভবিষ্যতেও তরুণদের পাশে থাকবেন এমন প্রত্যাশা আমাদের।
এ সময় যুবসমাজ সংগঠনের পক্ষ থেকে রায়হান কবির মিল্টনের জন্য শুভকামনা জানানো হয়। তারা তার মনের আশা পূরণ এবং ভবিষ্যৎ পথচলায় সাফল্য কামনা করেন। পাশাপাশি এলাকার মানুষের কল্যাণে তিনি আরও বেশি কাজ করার সুযোগ পাবেন বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তারা। মতবিনিময়কালে রায়হান কবির মিল্টনের পক্ষ থেকে স্থানীয় এলাকাবাসীর বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ শোনা হয়। এলাকার সমস্যা, সম্ভাবনা এবং তরুণদের প্রত্যাশার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।