রিপন রায়,বটিয়াঘাটা (খুলনা) প্রতিনিধি:
বটিয়াঘাটা উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি নামপত্তন দলিলের সম্পূর্ণ জমি পূর্বে বিক্রিত করে পুনরায় অবৈধভাবে দলিল করতে এসে দাতা হাতেনাতে আটক । পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে উক্ত পাওর অব এটর্ণি দলিলের দাতা সোহেল খন্দকার (৪৪)- কে ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় । ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় দিকে বটিয়াঘাটা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস চত্বরে । জানা যায়, দণ্ডপ্রাপ্ত সোহেল খন্দকার বাগেরহাট সদর উপজেলার কান্দাপাড়া গ্রামের মৃত মোজাদ্দের খন্দকারের পুত্র। তিনি একটি পাওর অব এটর্ণি দলিলের সম্পূর্ণ জমি পূর্বে বিক্রি করে উক্ত দলিল থেকে প্রতারনার মাধ্যমে পুনরায় দলিল সম্পাদন করতে এসে দলিল লেখক মারফত সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমা দিলে সাব- রেজিস্ট্রার যাচাই বাছাইয়ের সময়ে দাতাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরবর্তীতে সাব-রেজিস্ট্রার নাহিদুজ্জামান সজীব তাকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার উদ্যোগ নেন।
ওই দিন বেলা পৌনে ২ টায় সাব- রেজিস্ট্রি অফিস চত্বরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফজলে রাব্বী এক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে সম্পূর্ণ বিক্রিত জমির দলিল থেকে অবৈধভাবে দলিল সম্পাদন করার চেষ্টার অপরাধে দলিলের দাতা সোহেল খন্দকার-কে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। উল্লেখ্য বটিয়াঘাটা সাব-রেজিষ্ট্রী অফিসে দলিল লেখক সমিতির সামান্য কয়েক জন নেতা সিন্ডিকেট করে সাব- রেজিস্ট্রারের অজান্তে নাম ভাঙিয়ে অথবা তার সরলতার সুযোগে অবৈধ পন্থায় দলিল সম্পাদন করে কোটি কোটি টাকার পাহাড় গড়েছেন । ওই সকল নেতারা সাব- রেজিস্ট্রি অফিসে আগত দাতা-গ্ৰহীতাদের মাঝে সাব-রেজিস্ট্রারের সাথে আমাদের ভীষন সখ্যতা আছে এমন প্রচার ঘটিয়ে সাধারণ দলিল লেখকদের রুটি রুজির উপর আঘাত হানছে বলে অভিযোগ উঠেছে ।আদালত পরিচালনা করাকালীন সময়ে সাব-রেজিস্ট্রার নাহিদুজ্জামান সজীবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।