শিরোনাম :
‎যাঁরা থাকেন আড়ালে, তাঁরাই হলেন অনুষ্ঠানের অতিথি–ভ্যানচালক জুতা মেরামতকারী-ঝালমুড়ি বিক্রেতা  লোহানীপাড়ায় মিল্টনের স্ত্রীর নেতৃত্বে ৩০০ মোটরসাইকেলের শোডাউন, ছয় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন আগে কাজ দেন, তারপর দোকান ভাঙেন’ রাঙ্গামাটিতে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে হাবীব আজম- সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বজায় রাখার আহ্বান ‎লোহানীপাড়ায় টিসিবির পণ্য বিতরণে নানা অনিয়ম, দায় চাপাচ্ছেন ডিলার ও কর্মকর্তা ‎ ‎রংপুরে দুর্গাপূজার ডেকোরেশনের মালামাল খুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক যুবকের মৃত্যু ‎ ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন পৌর মেয়র প্রার্থী বিএনপির সভাপতি আব্দুল মান্নান মিয়া আব্বাস আড়ংঘাটায় ক্রয়কৃত জমি দখলের চেষ্টা ও হুমকির অভিযোগ, নিরাপত্তা চেয়ে জিডি দিঘলিয়ায় কাজলিপাড়া যুব সমাজ কল্যাণ উদয়ন সংঘের উদ্যোগে উপহার বিতরণ দিঘলিয়ার গাজিরহাটে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় একজন নিহত অন্যজন আহত
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন

‎মিঠাপুকুরে জামায়াত মনোনীত দুই ইউনিয়নে ১১ মেম্বার প্রার্থী নাম ঘোষণা ‎

Reporter Name
Update : শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রংপুর ব্যুরো: আঃ রাজ্জাক (রিয়াদ) 

‎রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার ৭ নম্বর লতিবপুর ও ১৪ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নে ১১ জন মেম্বার প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলীয় সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে এসব প্রার্থী মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের আমির আসাদুজ্জামান শিমুল তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পোস্টে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, ৭ নম্বর লতিবপুর ইউনিয়নের পাঁচটি ওয়ার্ডে এবং ১৪ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নের ছয়টি ওয়ার্ডে জামায়াতের পক্ষ থেকে মেম্বার প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে। প্রার্থী ঘোষণাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে নির্বাচনী তৎপরতা শুরু হয়েছে। ৭ নম্বর লতিবপুর ইউনিয়নে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীদের মধ্যে ১ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আলমগীর হোসেন, ২ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মো. আনারুল ইসলাম, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মিজানুর রহমান এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. মাসুম বিল্লাহ রয়েছেন। অন্যদিকে, ১৪ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়নে ১ নম্বর ওয়ার্ডে মো. নুরুল হুদা, ২ নম্বর ওয়ার্ডে মাওলানা মো. মোখলেছার রহমান, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মো. বকুল মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল কাদের, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে মো. রেজাউল করিম বকুল এবং ৯ নম্বর ওয়ার্ডে আব্দুল গফুরকে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

‎

‎দলীয় সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনকে আরও সক্রিয় করা এবং নির্বাচনী কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যেই উপজেলার বাকি ইউনিয়ন গুলোতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রার্থী বাছাইয়ের কাজ চলছে। প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ে তাদের পরিচিতি, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে দলীয় নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। প্রার্থী ঘোষণার পর সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডগুলোতে জামায়াতের নেতাকর্মীরা ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ ও মতবিনিময়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের পরিচিতি তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনী মাঠে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সাংগঠনিকভাবে কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানা গেছে। মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের আমির আসাদুজ্জামান শিমুল তার ফেসবুক পোস্টে প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করে তাদের নির্বাচনী কার্যক্রমে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। প্রার্থী ঘোষণার বিষয়টি স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

‎

‎এ বিষয়ে মিঠাপুকুর উপজেলা জামায়াতের আমির আসাদুজ্জামান শিমুল বলেন, “দলীয় সিদ্ধান্ত ও স্থানীয় পর্যায়ের সার্বিক বিষয় বিবেচনা করেই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। যারা প্রার্থী হয়েছেন, তারা নিজ নিজ এলাকায় মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন। আমরা আশা করি, তারা জনগণের কাছে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরতে পারবেন এবং সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনী পরিবেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।” তিনি আরও বলেন, “জামায়াতে ইসলামী সবসময় যোগ্য, সৎ ও জনকল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী ব্যক্তিদের গুরুত্ব দেয়। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে জনগণের প্রত্যাশা ও এলাকার উন্নয়নকে সামনে রেখে প্রার্থীরা কাজ করবেন।”

‎

‎স্থানীয় রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ছে। ইউনিয়ন পরিষদের ওয়ার্ড পর্যায়ের নির্বাচন স্থানীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টিও বেশ গুরুত্ব পাচ্ছে। ফলে মিঠাপুকুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে আগামী দিনগুলোতে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে ঘোষিত ১১ প্রার্থীর মধ্যে লতিবপুর ইউনিয়নে পাঁচজন এবং দুর্গাপুর ইউনিয়নে ছয়জন রয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যায়ক্রমে উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডেও দলীয় প্রার্থী ঘোষণা করা হতে পারে। এতে মিঠাপুকুরের স্থানীয় নির্বাচনী রাজনীতিতে জামায়াতের তৎপরতা আরও দৃশ্যমান হবে বলে মনে করছেন দলটির নেতাকর্মীরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category